বিশেষ প্রতিনিধি: ফ্যাসিস্ট আমলের ক্ষমতা প্রয়োগে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলা ভূমি অফিসকে ম্যানেজ করে ভুমিদস্যুদের দৌরাত্যের ও দুর্নীতির খবর সর্বত্র ও সর্বজনবিদিত।
জাল ওয়ারিশ সনদ দিয়ে আসল দলিলের মালিকানায় থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ পদ্মা টিভি২৪ লিমিটেড এর কাছে এসেছে।
সূত্র বলছে, নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলাধীন পাঁচবাড়ীয়া গ্রামের আবদুল্লাহ গং আওয়ামী আমলে রাজনৈতিক ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে সে সময়ের সহকারী কমিশনার ভুমি কে চাপ প্রয়োগ করে মোবারক হোসেন গং দের সাবকবলা দলিলের মালিকানা ও দখলী সম্পত্তির নামজারী বাতিল করে দিলে মোবারক হোসেন গং, বাদী হয়ে আব্দুল্লাহ গংদের নামজারির বিরুদ্ধে
এসিল্যান্ড কোর্টে মিঃ মোঃ নং ৮৬৯/২০২২ইং একটি মামলা দায়ের করেন।
ফ্যাসিষ্ট আমলে ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে আব্দুল্লাহ গং দে ১৮৬/২০২১ ইং মামলায় মোবারক গংদের দখলকৃত জমির নামজারী কেটে দেয়া হয়।
উভয় পক্ষের মালিকানা দাবীর প্রেক্ষিতে এ আলোচিত মামলা সম্পর্কে সরেজমিনে অনুসন্ধানে নামে পদ্মাটিভি২৪।
অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য, মোবারক গং ক্রয়সুত্রে সাব কবলা দলিলে মালিক। বিপরীতে আবদুল্লাহ গং ওয়ারিশ সনদ ছাড়া কোন দলিল দেখাতে পারেন নি। দুপ্তারা ইউনিয়ন হতে ইস্যুকৃত ওয়ারিশ সনদ এসিল্যান্ডকে দেখিয়ে দখলসুত্রে মালিক দাবী করে নিম্ন আদালতে মামলায় সুবিধা করতে না পেরে উচ্চ আদালত তথা জজ আদালতে বিশেষ উৎকোচ প্রদানপুর্বক দীর্ঘ সময় নিয়ে ও নিম্ন আদালতে যেন কোন রায় না দেয়া হয় সেটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তদবির করে যাচ্ছে।
আডাইহাজার সহকারী কমিশনার ভুমি ৪০ তম বিসিএস এডমিন ক্যাডার মোস্তাফিজুর রহমান ইমন পদ্মাটিভি২৪ কে বলেন, আবদুল্লাহ গং দীর্ঘদিন ভুয়া ওয়ারিশ সনদ দ্বারা জমির বৈধ মালিক দাবী করছেন। বিপরীতে আমি তদন্ত করে দেখেছি মোবারক গং ক্রয়কৃত আসল দলিল ও বৈধ ওয়ারিশ সনদ এসিল্যান্ড কোর্টে প্রদাণ করেছেন। অফিসের সার্ভেয়ার ও কানুনগোসহ তদন্ত পুর্বক আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছি যে, মোবারক গং সম্পত্তিটির বৈধ মালিক। বিপরীত দিকে আবদুল্লাহ গংদের প্রদাণকৃত ওয়ারিশ সনদ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ হতে জাল বলে পুণ;সনদ প্রদান করেছেন।
এদিকে, আবদুল্লাহ গং ওয়ারিশ সনদ আসল মর্মে দাখিল করে তারাই জমির আসল মালিক দাবী করলেও দুপ্তারা ইউনিয়ন পরিষদ হতে ইতোপূর্বে প্রদানকৃত সনদটি সম্প্রতি আরেকটি ওয়ারিশ সনদে আগের সনদটি জাল উল্লেখ করে পুনরায় ওয়ারিশ সনদ প্রদান করা হয়েছে।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি এর নিকট ভুক্তভোগী মোবারক গং আবেদনে বলেন, আমরা যদি দলিল মোতাবেক আসল মালিক প্রমানিত হই তাহলে যেন আমাদের পাঁচগাও মৌজা, আর এস খতিয়ান নং : ৬৯২, ও দাগ নং : ৩৭৩৮ জমি হতে ১৩৪ শতাংশ ও
৮o শতাংশ নালিশা তফসিলি সম্পত্তি পুন নামজারী বহাল করা হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।